উলিপুরে টি-বাঁধ বিলীনের পথে জরুরী প্রকল্পের নামে ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন » Rangpur Live উলিপুরে টি-বাঁধ বিলীনের পথে জরুরী প্রকল্পের নামে ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন » Rangpur Live
  1. admin@rangpurlive.news : admin :
  2. aglovelu@gmail.com : Ag Lovelu : Ag Lovelu
  3. hasanhasanuzzaman286@gmail.com : hasan lalmoni : hasan lalmoni
  4. hasankrum@gmail.com : rangpur newspapers : rangpur newspapers
  5. Motiar@gmail.com : Rangpur News : Rangpur News
  6. jmnayon4@gmail.com : J M Ali Nayon : J M Ali Nayon
  7. arsadalom074@gmail.com : Nilphamari News : Nilphamari News
  8. onbusinesstouch@gmail.com : Rangpur protidin : Rangpur protidin
  9. Talatmahamudruhan@gmail.com : তালাত মাহামুদ : তালাত মাহামুদ
  10. sylhetlive1@gmail.com : rangpurlivebdgg rangpurlivebdhk : rangpurlivebdgg rangpurlivebdhk
  11. sylhetlive71@gmail.com : Sub house : Sub house
  12. zulfikarali31@yahoo.com : Sub Editor : Sub Editor
August 13, 2020, 1:53 pm
বিজ্ঞপ্তি :
এতোদ্বারা রংপুর বিভাগের সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, করোনা ভাইরাস রোধে আপনারা ঘরের ভিতর হোম কোয়ারেন্টাইন এ থাকুন, সুস্থ থাকুন আপনার পরিবার নিয়ে... ধন্যবাদান্তে রংপুর লাইভ।

উলিপুরে টি-বাঁধ বিলীনের পথে জরুরী প্রকল্পের নামে ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন

  • প্রকাশের সময় Friday, July 3, 2020
  • 120 প্রকাশের সময়
খবরটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

সুভাষ চন্দ্র
উলিপুর(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

তিস্তা নদীর বাঁ তীরে ভাঙন কবলিত একটি টি-বাঁধ রক্ষায় জরুরী প্রকল্পের নামে বাঁধের অদূরেই ড্রেজার মেশিন বসিয়ে ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন করায় টি-বাঁধ রক্ষার পরিবর্তে তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কুড়িগ্রাম পাউবো‘র প্রকৌশলীদের খামখেয়ালীপনা ও সীমাহীন দুনর্ীতির কারণে মাত্র তিন বছরের মাথায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টি-বাঁধটি বিলীন হওয়ার পথে। এ অবস্থায় টি-বাঁধটি নদী গর্ভে চলে গেলে পাশ্ববর্তি কয়েকটি গ্রামের সহস্রাধিক বাড়ি-ঘর ও কয়েকশ একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থ বছর প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে জেলার উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের নাগড়াকুড়া গ্রামে তিস্তা নদীর বঁা-তীর রক্ষায় টি-হেড গ্রোয়েন নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের কিছু দিন যেতে না যেতেই টি-বাঁধটির বিভিন্ন অংশে ধ্বস নামে এবং ফাটলের সৃষ্টি হয়। এসব ধ্বস ও ফাটল মেরামতের নামে পাউবো’র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা কখনো জরুরী মেরামতের নামে আবার কখনো স্বাভাবিক অবস্থায় ঠিকাদারের সাথে যোগসাজোস করে দ্বায়সাড়া ভাবে কাজ করে লাখ-লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। ফলে টি-বাঁধটি ঝুঁকিমুক্ত অবস্থার পরিবর্তে ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় থেকে যায়।

এদিকে গত বছর বন্যায় তিস্তা নদীর স্রোতের তোড়ে টি-বঁাধটির মাথার অংশের ১৩৪ মিটার নদীগর্ভে চলে যায়। সেসময় পাউবো জরুরী কাজের নামে এলাকার মানুষকে অন্ধকারে রেখে দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নাম-মাত্র কাজ করে চলে যান। শুষ্ক মৌসুমে টি-বাঁধটি সংস্কারের উপযুক্ত সময় থাকলেও পাউবো‘র খামখেয়ালীপনায় তা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারো বাঁধটির টি-পার্টের উজানের বেল মাউথ অর্থাৎ টি-হেডে পানির তীব্র স্রোতে প্রায় ৫০ মিটার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। জরুরী পরিস্থিতিতে কুড়িগ্রাম পাউবো টি-বাঁধটি রক্ষায় হাসিবুল হাসান নামের রংপুরস্থ একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বালু ভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ নিক্ষেপের জন্য নিযুক্ত করে।

অভিযোগ রয়েছে, হাসিবুল হাসান নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জরুরী কাজের নির্দেশ পেয়ে নিজে কাজ না করে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় ব্যক্তিকে দিয়ে টি-বাঁধের অদূরেই ড্রেজার মেশিন বসিয়ে ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন শুরু করে। এভাবে অপরিকল্পিত ভাবে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলন করার ফলে টি-বাঁধ রক্ষার পরিবর্তে তা যেকোন মহুর্তে নদী গর্ভে চলে যাবে বলে স্থানীয় মানুষজন আশংকা করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কুড়িগ্রাম পাউবো‘র প্রকৌশলীদের খামখেয়ালীপনা ও সীমাহীন দুনীর্তির কারণে মাত্র তিন বছরের মাথায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টি-বাঁধটি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এবারো কাজের শুরুতেই বাঁধের অদূরেই ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু তুলতে থাকায় খোঁদ টি-বাঁধটি আরো হুমকির মুখে পরেছে।

সরেজমিনে স্থানীয় বাসিন্দা নূর আমিন, সহিদুর রহমান ও ইব্রাহীমসহ অনেকে সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করে বলেন, সরকার ১০ কোটি টাকা ব্যায়ে টি-বাঁধটি নিমার্ণ করল। কাজের শুরুতেই নানা অনিয়ম করার কারণে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে টি-বঁাধের বিভিন্ন অংশ নদীতে ধ্বসে যায়। কিন্তু পাউবো অস্থায়ী প্রকল্পের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এঅবস্থায় টি-বাঁধটি নদী গর্ভে চলে গেলে পাশ্ববর্তি গ্রামের শত-শত বাড়ি-ঘর ও আবাদি জমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদসহ নানা স্থাপনা হুমকির মুখে পড়বে।

এ ব্যাপরে হাসিবুল হাসান নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নিয়ে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, টি-বাঁধের কাছা-কাছি ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলনের কোন সুযোগ নেই। নদীর তীব্র স্রোতের কারণে দুর থেকে বালু তুলে বহন করে আনা সমস্যা হওয়ায় ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখছি।

Facebook Comments

খবরটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জেলার আরও খবর পড়ুন
© All rights reserved © (2016-2019) Rangpur Live.News The website host& design by- Rebnal Host
Theme Customized By BreakingNews