পাটের জীনোম ও সোনালী ব্যাগ

২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম প্রথম পাটের জীনোম আবিষ্কার করেন। ফলে পাট চাষ থেকে শুরু করে উন্নত মানের আঁশ ও নতুন নতুন পাটের জাত এর আবিষ্কার করা  সম্ভব হচ্ছে। পাটের বিভিন্ন রোগ হলে পাটের জীনোম অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করা যায়। এতে পাট চাষের এক দিগন্ত উন্মুচিত হয়।

এর আগে কোন বিজ্ঞানী পাটের জীনোম আবিষ্কার করেনি বলে এটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি পায়। এই প্রতিভাবান বিজ্ঞানীর সাথে ছিলেন একদল তরুণ গবেষক।

 

২০১৮ সালে পরমানু শক্তি কমিশনের আরেক বিজ্ঞানী মোবারক আহমদ খান পাট থেকে তৈরি করেন সেলুলোজ। যা দিয়ে পরিবেশ বান্ধব পলিব্যাগ তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন। সোনালী আঁশের সোনালী ব্যাগ দেখলেই মন জুড়াবে।

যদিও পূর্বে কসোভা নামক এক ধরনের সবজি থেকে পরিবেশ বান্ধব পলিব্যাগ তৈরি শুরু হয় বিশ্বের অনেক দেশেই। কিন্ত এর ফলে একটি সবজি খাবারের তালিকা থেকে চলে যাচ্ছে তাই অনেকেই মনে করেন এটি পুষ্টির উপর প্রভাব পড়বে।

কিন্তু পাট থেকে তৈরি পলিব্যাগ তুলনা মূলক টেকশই। ১০ কেজি ওজন বহন করা যায়।

আসুন পলিথিন বর্জন করি, ১০০% পাটের সোনালী ব্যাগ ব্যবহার করি।

 

যেহেতু, পাট আমাদের জাতিয় ফসলগুলো মধ্যে অন্যতম একটি অর্থকরী ফসল সেহেতু, গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সকলকে এই পাটের বহুমুখী ব্যবহারে উদ্ভুত করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

 

পাটের সোনালী দিন আবারো ফিরে আসুক সেই প্রত্যাশায় বুক বেধে রইলাম।

 

লেখক-

মোঃ জুলফিকার অালী নয়ন

ব্যবস্থাপনা পরিচালক

দূর্বার (একটি পাটজাত দ্রব্য উৎপাদন বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান)

নিউজ রুম ইডিটর

রংপুর লাইভ ডট নিউজ

শেয়ার করুন-

Leave a Reply